কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬ এ ০৯:৫৬ AM
কন্টেন্ট: প্রকল্প প্রকল্পের ধরন: (নেই)
ব্যয়: লক্ষ টাকায়
ক্রঃ নং | প্রকল্পের নাম | প্রাক্কলিত ব্যয়, লক্ষ টাকা | অর্থায়ন | বাস্তবায়নকাল | প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য | ||
মোট | বৈঃ মুঃ | শুরু | শেষ | ||||
| ১ | সিলেট ১০নং কূপ (অনুসন্ধান কূপ) খনন (১ম সংশোধিত)। | ৫১৭১০.০০ | ৩৭৮০৯.০০ | নিজস্ব অর্থ এবং গ্যাস উন্নয়ন তহবিল (জিডিএফ) | ০১-১০-২০২১ | ৩১-১২-২০২৩ | সিলেট-১০ ও সিলেট-১০এক্স কূপ খনন করত: ১০৬ বিসিএফ গ্যাস মজুদ বৃদ্ধি এবং প্রথম ৫ বছর দৈনিক প্রায় ৪০ (সিলেট-১০: ২০ ও সিলেট-১০এক্স: ২০) মিলিয়ন ঘনফুট হারে এবং পরবর্তী ৫ বছর দৈনিক প্রায় ৩৫ (সিলেট-১০: ২০ ও সিলেট-১০এক্স: ১৫) মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদার আংশিক পূরণ করা। |
| ০১-১০-২০২১ (সংশোধিত) | ৩০-০৬-২০২৬ (সংশোধিত) | ||||||
| ২ | সিলেট-১১ (উন্নয়ন কূপ) ও রশিদপুর- ১৩ (অনূসন্ধান কূপ) কূপ খনন প্রকল্প। | ৫৯৯৫০.০০ | ৪১৬৮৩.০০ | কোম্পানির নিজস্ব অর্থ | ০১-০৩-২০২৪ | ৩০-০৬-২০২৬ | গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিলেট ও রশিদপুর স্ট্রাকচারে যথাক্রমে ২০০০ মিটার ও ৪২০০ মিটার (TVD) গভীরতায় একটি উন্নয়ন কূপ (সিলেট-১১) ও একটি অনুসন্ধান কূপ (রশিদপুর-১৩) খননের মাধ্যমে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের উপস্থিতি/অনুপস্থিতি নিশ্চিত করা। নতুন কূপ খনন করে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেলে সিলেট-১১ ও রশিদপুর-১৩ নং কূপ দু’টি হতে প্রথম ৫ বছরে ২০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে এবং পরবর্তী ৫ বছরে ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের ক্রমবর্ধ্মান জ্বালানি চাহিদার আংশিক পূরণ করা। |
| ৩ | কৈলাশটিলা-১, রশিদপুর-৩ ও বিয়ানীবাজার-২নং কূপ ওয়ার্কওভার | ২২৩৯৫.০০ | ৬২৬৬.০০ | কোম্পানির নিজস্ব অর্থ | ০১-০১-২০২৫ | ৩০-০৬-২০২৬ | গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে কৈলাশটিলা-১, রশিদপুর-৩ ও বিয়ানীবাজার-২নং কূপসমূহকে পুণরায় গ্যাস উৎপাদনে আনয়ন। সংশ্লিষ্ট কূপের টার্গেটেড স্যান্ডসমূহে মজুদকৃত ৭১২ বিসিএফ গ্যাসের মধ্যে ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে প্রথম ৫ বছরে দৈনিক ২৩ মিলিয়ন ঘনফুট হারে (কৈলাশটিলা-১: ৫, রশিদপুর-৩: ১০ ও বিয়ানীবাজার-২: ৮) এবং পরবর্তী ৫ বছরে দৈনিক ১৮ মিলিয়ন ঘনফুট হারে (কৈলাশটিলা-১: ৫, রশিদপুর-৩: ৭ ও বিয়ানীবাজার-২: ৬) অর্থাৎ মোট ৭১.৭৫ বিসিএফ গ্যাস উত্তোলন করে দেশের জ্বালানি চাহিদার আংশিক পূরণ করা। |
| ৪ | রশিদপুর-১১ (অনূসন্ধান কূপ) কূপ খনন প্রকল্প। | ২৭১৮৭.০০ | ১৯৬৬৯.০০ | নিজস্ব অর্থ এবং জিওবি | ০১-১০-২০২৪ | ৩০-০৬-২০২৬ | গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য রশিদপুর কাঠামোতে ২৯০০ (+১০০) মিটার গভীরতায় একটি অনুসন্ধানমূলক কূপ (রশিদপুর-১১) খনন করে পুনরুদ্ধারযোগ্য গ্যাসের উপস্থিতি/অনুপস্থিতি নিশ্চিত করা নতুন কূপ খনন করে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে, গ্যাসের মজুদ ২৯.৪৯ বিসিএফ বৃদ্ধি এবং প্রথম ৩ বছরে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং পরবর্তী ৫ বছরে ৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদন করে দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা আংশিকভাবে পূরণ করা। |
| ৫ | ডুপিটিলা-১ এবং কৈলাশটিলা-৯ (অনূসন্ধান কূপ) কূপ খনন প্রকল্প। | ৬৪৬৪৮.০০ | ৪৪৭৩৬.০০ | নিজস্ব অর্থ এবং জিওবি | অক্টোবর ২০২৪ | সেপ্টেম্বর ২০২৬ | গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ডুপিটিলা এবং কৈলাশটিলা কাঠামোতে যথাক্রমে ৩৪৬০ (±১০০) মিটার এবং ৩৬০০ (+১০০) মিটার (টিভিডি) গভীরতায় দুটি অনুসন্ধানমূলক কূপ (ডুপিটিলা-১ এবং কৈলাশটিলা-৯) খনন করে পুনরুদ্ধারযোগ্য গ্যাসের উপস্থিতি/অনুপস্থিতি নিশ্চিত করা। নতুন কূপ খননের মাধ্যমে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হলে, ডুপিটিলা-১ এবং কৈলাশটিলা-৯ নং কূপগুলি প্রথম ৫ বছরে ২০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং পরবর্তী ৫ বছরে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদন করবে, অর্থাৎ দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ১০ বছরে মোট ৫৬ বিসিএফ গ্যাস উৎপাদন করবে। |
| ৬ | সিলেট-১২নং কূপ খনন (তেল কূপ) প্রকল্প | ২৫৫২৫.০০ | ১৯৭৮২.০০ | নিজস্ব অর্থ এবং জিওবি | ০১ জানুয়ারি, ২০২৫ | ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ | সিলেটের উত্তর ক্লোজারে তেলের জন্য ২৪৯১ (±৫০) মিটার গভীরতায় ২৪ মাসে একটি তেলকূপ (সিলেট-১২) খনন করা; সিলেট-১২ তেলকূপ খনন করে ১০ বছর ধরে প্রতিদিন প্রায় ৮০০ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা আংশিকভাবে পূরণ করা। |