কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬ এ ১২:১৩ PM

কৈলাশটিলা এলপিজি প্লান্ট, গোলাপগঞ্জ, সিলেট।

কন্টেন্ট: পাতা

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রশাসনিক অনুমোদন অনুযায়ী রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)-এর কৈলাশটিলা এলপিজি প্লান্ট (ইউনিট-১ ও ২) ৩০-০৫-২০২৪ তারিখে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল)-এর নিকট হস্তান্তরিত হয়। প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করে ০২-০৬-২০২৪ তারিখে কৈলাশটিলা এলপিজি প্লান্টের ইউনিট-২ পুনরায় উৎপাদনে আনা হয়। কৈলাশটিলা এলপিজি প্লান্টের ইউনিট-২ এর দৈনিক ১১০০ ব্যারেল ক্ষমতাসম্পন্ন এনজিএল প্লান্টে ফিড হিসেবে কৈলাশটিলা এমএসটিই প্লান্টে উৎপাদিত আনুমানিক ৩৫০ ব্যারেল এনজিএল ব্যবহার করে প্রতিদিন প্রায় ২১০ ব্যারেল “সুপার লাইট কনডেনসেট” এবং ১৪০ ব্যারেল “এলপিজি” (১২.৫ কেজি ধারণক্ষমতার প্রায় ৯৩০টি সিলিন্ডারের সমপরিমাণ) উৎপাদন করা হয়।

উৎপাদিত “সুপার লাইট কনডেনসেট” এসজিএফএল-এর ৪০০০ বিপিডি ক্ষমতাসম্পন্ন কনডেনসেট ফ্র্যাকশনেশন প্লান্টে প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত কনডেনসেট ৪০০০ বিপিডি সিএফপি এবং ৩০০০ বিপিডি সিআরইউ-এর মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করে বিএসটিআই মানসম্মত মটর স্পিরিট (পেট্রোল) (RON-89) উৎপাদন করা হয়। উৎপাদিত পেট্রোল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অধীনস্থ বিপণন কোম্পানিসমূহ (পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড এবং যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড)-এর নিকট সরবরাহ করা হয়; পরবর্তীতে তারা তা বাজারজাত করে। এছাড়াও উৎপাদিত এলপিজি পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী বিপিসি’র অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এলপি গ্যাস লিমিটেড-এর নিকট সরবরাহ করা হয়। পরবর্তীতে এলপি গ্যাস লিমিটেড কর্তৃক বোতলজাত এলপিজি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড-এর মাধ্যমে বাজারজাত করা হয়।

কৈলাশটিলা এলপিজি প্লান্ট চালুর ফলে কৈলাশটিলা এমএসটিই প্লান্টে উৎপাদিত সমুদয় এনজিএল প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে একদিকে পরিবেশ দূষণ হ্রাস পেয়েছে, অন্যদিকে কোম্পানির আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন