কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬ এ ০৪:৪৬ PM
কন্টেন্ট: পাতা

কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ড সিলেট শহর হতে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ছিটাফুলবাড়ী মৌজার সিলেট-জকিগঞ্জ মহাসড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে অবস্থিত।
১৯৬১ সালে আবিষ্কৃত এ গ্যাসক্ষেত্রে এযাবৎ মোট ৮টি কূপ খনন করা হয়েছে। ২০১৮ সালে Schlumberger SEACO Inc. সম্পাদিত ৩ডি সাইসমিক রিভিউ প্রতিবেদন অনুযায়ী কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডের উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুত ১০০৫.০৩ বিলিয়ন ঘনফুট। ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ ফিল্ড হতে উত্তোলিত গ্যাসের পরিমাণ ৮৪৩.৮৫ বিলিয়ন ঘনফুট যা উত্তোলনযোগ্য মজুদের শতকরা ৮৩.৯৬ ভাগ।
১৯৮২ সালে সিলিকাজেল প্রসেস প্লান্টটির নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং হল্যান্ডের M/s Escher ইপিসি ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। ১৯৮৩ সালে নির্মাণকাজ সম্পন্নের পর একই বছরের জুন মাস হতে উৎপাদন শুরু হয়। প্লান্টটির দৈনিক প্রসেস সক্ষমতা ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট। বর্তমানে এ প্লান্টের মাধ্যমে কৈলাশটিলা ১নং কূপ হতে দৈনিক প্রায় ২.৮৮ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস এবং প্রায় ১৮ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হচ্ছে। এছাড়া কৈলাশটিলা ফিল্ডে ৩০০ ব্যারেল ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ফ্রাকশনেশন প্লান্ট আছে যা ২২-০৮-২০২০ তারিখ হতে বন্ধ আছে।
কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খননকৃত ৮টি কূপের মধ্যে বর্তমানে ৫টি কূপ (কৈলাশটিলা-১, ২, ৬, ৭ ও ৮) উৎপাদনরত আছে। উৎপাদনরত ৫টি কূপের মধ্যে ১টি (কৈলাশটিলা-১ নং) কূপের গ্যাস সিলিকাজেল প্রসেস প্লান্টের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড-এ সরবরাহ করা হয়। বাকী ৪টি (কৈলাশটিলা-২,৬,৭,৮) কুপের গ্যাস দৈনিক ৯০ মিলিয়ন ঘনফুট ক্ষমতা সম্পন্ন কৈলাশটিলা এমএসটিই প্লান্টের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়।